নিউজনেক্সটবিডি ডটকম আর্কাইভ
কিংবদন্তী অভিনেতা গোলাম মুস্তাফার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী
February 20th, 2016 Author On বিনোদন
কিংবদন্তী অভিনেতা গোলাম মুস্তাফার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী

ঢাকা: গুণী আবৃত্তিশিল্পী ও কিংবদন্তি অভিনেতা গোলাম মুস্তাফার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার। ২০০৩ সালের এই দিনে তিনি সবাইকে ছেড়ে চিরতরে বিদায় নেন।

বেতার, টিভি, মঞ্চ, চলচ্চিত্র এই চার মাধ্যমেই তিনি তার সুঅভিনয়ের স্বাক্ষর রেখে গেছেন। দোর্দান্ড প্রতাপে অভিনয় করেছেন চলচ্চিত্রে।

গোলাম মুস্তাফার জন্ম ১৯৩৪ সালের ২ মার্চ পিরোজপুর জেলায়। বাবা ছিলেন সাব-রেজিস্ট্রার। স্কুলজীবন শুরু হয় পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। ম্যাট্রিক পাস করেন খুলনা জেলা স্কুল থেকে। স্কুল-কলেজ জীবনে নাটকে অভিনয় করা ছিল তার শখ।

১৯৬০ সালে এহতেশামের ‘রাজধানীর বুকে’ ছবিতে বখে যাওয়া জমিদারের ভূমিকায় প্রথম অভিনয় করেন গোলাম মুস্তফা। মূলত প্রথম ছবি থেকেই তিনি খলনায়ক চরিত্রের একক ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। এছাড়া তিনি অনেক ছবিতে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন। প্রায় দুই শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন গোলাম মুস্তফা।

তিনি বাংলা ও উর্দু মিলে প্রায় তিনশ চলচ্চিত্রে নায়ক, সহনায়ক, খলনায়কসহ বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য উর্দু চলচ্চিত্র হচ্ছে ‘পীরিত না জানে রীত’, ‘কাজল’, ‘চোখাই’, ‘চান্দা’, ‘তালাশ’। বাংলা চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘আলিবাবার চল্লিশ চোর’, ‘রাজধানীর বুকে’, ‘নিজেকে হারায়ে খুঁজি’, ‘রক্তাক্ত বাংলা’, ‘রূপালী সৈকতে’, ‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘সূর্যসংগ্রাম’, ‘পদ্মা নদীর মাঝি’, ‘এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী’, ‘শুভদা’, ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’, ‘ধীরে বহে মেঘনা’, ‘চন্দ্রনাথ’, ‘দেবদাস’ ইত্যাদি।

গোলাম মুস্তাফা অনেক বিজ্ঞাপনচিত্রেও অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০০১ সালে একুশে পদক সম্মানে ভুষিত হন। তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং বাচসাস পুরস্কারও লাভ করেন।

নিউজনেক্সটবিডি ডটকম/এমএস/আতে